খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুদানের গৃহযুদ্ধে যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
সুদানের গৃহযুদ্ধে যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

সুদানের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তীর্ণ কোরদোফান অঞ্চলে সহিংসতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে তাৎক্ষণিক মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন, চলমান সহিংসতা ভয়াবহ এবং এতে জড়িত সবাই ভবিষ্যতে চিরস্থায়ী নিন্দার মুখে পড়বে। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বছরের শেষ সংবাদ সম্মেলনে রুবিও বলেন, সুদানে লড়াই বন্ধ হওয়া জরুরি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

রুবিও আরও বলেন, নতুন বছরটি উভয় পক্ষের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার একটি বড় সুযোগ, যাতে সংঘাতে আটকে পড়া লক্ষাধিক মানুষের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছানো যায়। তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ডিসেম্বরের শুরু থেকে কোরদোফানে সহিংসতায় শতাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। রুবিও আরও বলেন, ওখানে যা ঘটছে তা ভয়াবহ, এটি নৃশংস। তিনি আরও বলেন, ‘একদিন সেখানে আসলে কী ঘটেছে তার পূর্ণ গল্প জানা যাবে, আর তখন এতে জড়িত সবাই-ই খারাপ অবস্থানে পড়বে।’

নভেম্বরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠকের পর ওয়াশিংটন কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত মাসাদ বোলুস সম্প্রতি মিসর, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর দেশে ফিরেছেন। রুবিও জানান, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, সরকারপন্থি সুদানি সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ) ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাইরের দেশগুলো থেকে আসা অস্ত্র সরবরাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই যুদ্ধ এখন তৃতীয় ভয়াবহ বছরে প্রবেশ করেছে।’

রুবিও বলেন, ‘এই সব অস্ত্রই বিদেশ থেকে আসে। কোথাও না কোথা থেকে এগুলো আসতে হয় এবং কোনও না কোনও পথ দিয়েই প্রবেশ করে। তিনি আরও বলেন, ‘বাইরের শক্তিগুলোরই সেই প্রভাব রয়েছে, যার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।