খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:২৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের দর্শকের কাছে তুরস্কের নাটক-সিরিজগুলোর জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ‌‘সুলতান সুলেমান’ দিয়ে যার শুরুটা হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে। এরপর নানা প্রেক্ষাপটের গল্পে নির্মিত বেশ কিছু সিরিজ ও ধারাবাহিক নাটক বাংলায় ডাবিং করে প্রচার হয়েছে এ দেশের টিভি চ্যানেল ও ওটিটি প্লাটফর্মগুলোতে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের প্রথম দিনেই দীপ্ত প্লে প্রচার শুরু করছে ‘গুড ডক্টর’ নামের ধারাবাহিক। এর ডাবিং প্রজেক্ট ডিরেক্টর মোর্শেদ সিদ্দিকী মরু এবং প্রযোজনা করেছেন মাসুদ মিয়া।

এ নাটকের গল্পে দেখা যাবে- আলি বেফা একজন তরুণ ডক্টর। সে অটিজমের সাথে সাথে সাভান্ট সিনড্রোমেও আক্রান্ত। ফলে সে এক্সট্রা অর্ডিনারি ট্যালেন্ট আর অসাধারণ মেমোরির অধিকারী। অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণে আলি মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে তাই তার শৈশব কেটেছে সহপাঠীদের ঠাট্টা-নিগ্রহ আর সামাজিক উপেক্ষায়। জীবনে তার একমাত্র ভরসাযোগ্য মানুষ ছিল বড় ভাই আহমেত যে সবসময় তাকে আগলে রাখতো। ছোটবেলায় মারা যাওয়া পোষা খরগোশকে সুস্থ করতে পারবে ভেবে তাকে নিয়ে এক ক্লিনিকে গিয়েছিল আলি। সেখানেই পরিচয় ডক্টর আদিলের সাথে যিনি পরে তার আইনি অভিভাবক হয়ে ওঠেন। একমাত্র ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় সে নিজেকে একজন সার্জন হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। শিক্ষা জীবন শেষ করে কর্মজীবনের শুরু হয় বেরহায়াত হসপিটালে অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কিন্তু সেখানেও শুরু হয় নানা প্রতিকূলতা।

সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সিনিয়র সার্জন ডক্টর ফেরমান যিনি আলিকে এই কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করেন না। ক্যারিয়ারে ডক্টর আদিলের পাশাপাশি আলিকে স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যায় সহকর্মী ডক্টর নাযলি। আলি নিজের অস্বাভাবিক জীবন থেকে কখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে সার্জন হতে পারবে কিনা দেখতে চোখ রাখুন দীপ্ত প্লেতে। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন খায়রুল আলম হিমু (আলী বেফা), মোর্শেদ সিদ্দিকী মরু (ফেরমান), জয়শ্রী মজুমদার লতা (নাযলি), মেরিনা আক্তার মিতু (কিভিলজিম), রুবাইয়া মাতিন গীতি (বেলিয), সজিব রায় (তানজু), তারভীর নাহিদ খান (দেমির), নাদিয়া ইকবাল (আজেলিয়া), শারমিন মৃত্তিকা (সেলভী), মির্জা জান্নাতুল আফরিন (গুলিন) এবং মশিউর রহমান দিপু (আদিল)। কণ্ঠাভিনয়ের সার্বিক তত্বাবধানে আছেন জয়শ্রী মজুমদার লতা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।