খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দুর্ঘটনার শিকার মেহের আফরোজ শাওন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনার শিকার মেহের আফরোজ শাওন

ঢাকার নিউ মার্কেটে শপিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) নিউ মার্কেট এলাকায় এই দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে শনিবার বিকেলে একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন শাওন। ঢাকা পোস্টের পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

ঘটনা খুবই সরল ও অনাড়ম্বরপূর্ণ। বড় ব্যাটা নিষাদ হুমায়ূনকে নিয়ে গিয়েছিলাম নিউমার্কেট, তার বাবার প্রিয় বাজারে। সুন্দরভাবে কাজ শেষ করে গাড়ির কাছে ফিরছিলাম। জুম্মার সময়, দুপুর ১টা ৫৫। নিউমার্কেটের ভেতরের অংশের চলাচলের রাস্তায় বসা মুসুল্লীদের নামাজ প্রায় শেষের দিকে। রাস্তা একদম ফাঁকা। ডান বাম ভালো করে দেখে যেই না রাস্তা পার হওয়া ধরেছি, কোথা থেকে মাটি ফুঁড়ে এলো ‘বাংলার টেসলা’ খ্যাত এক অটোচালিত রিকশা! কোনোরকম বেলের টুংটাং না করে “আআআপুউউউ….সরেএএএন’’ বলে ডাক, কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিন যাত্রীসহ চালক মহাশয় এক সজোর ধাক্কা দিলেন। প্রবল বেগের সেই ধাক্কায় আমি ৩৬০ ডিগ্রী  ঘুরে রাস্তায় পড়ে গেলাম আর ‘বাংলার টেসলা’র পেছনের চাকা আমার বাম পায়েরর উপর দিয়ে চলে গেল। পরের ঘটনা উল্লেখ করে শাওন লেখেন, টেসলার চালককে ধন্যবাদ, তিনি পালিয়ে না গিয়ে নিজের দোষ কিছুটা স্বীকার করেছেন।

 

আশেপাশে থেকে ছুটে আসা মানুষদের ধন্যবাদ, নানা জ্ঞান দিয়ে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টার জন্য। কৃতজ্ঞতা সেই চা দোকানদারের প্রতি, যিনি নিজ দোকানের ফিল্টার পানির জার পুরোটা ঢেলে আমার পায়ে তাৎক্ষনিক আরাম দিয়েছেন। অভিনেত্রী তার স্ট্যাটাসে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি সঙ্গে থাকা অর্পিতাকে। তিনি লিখেছেন, অর্পিতা, তুই সাথে না থাকলে কিভাবে যে ঐ সময়টুকু সামলাতাম জানি না। চোখের সামনে থেকে অন্ধকার সরার পর দেখলাম নিজের পুরো শরীরের ভার তোর উপর ছেড়ে আমি ঢলে পড়েছি আর তুই ঠাণ্ডা মাথায় আমাকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিস, পাশাপাশি ঘটনার আকস্মিকতায় নার্ভাস হয়ে পড়া নিষাদকে সামাল দিচ্ছিস! শুধু মুখে মুখে ‘শাওন মা’ না তুই আমার শক্তপোক্ত মেয়ের দায়িত্ব-ই পালন করে দেখালি। আমি তোকে নিয়ে গর্বিত। নিজের শরীরের বর্তমান আপডেট জানিয়ে শাওন বলেছেন, পরম করুণময় আল্লাহর দয়ায় পা ভাঙেনি। তবে পেশী ও কোমল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পূর্ণ বিশ্রাম আর ওষুধে আগামী কিছুদিনের মধ্যে সেরে যাবে। যে সকল ছা*লশাবকেরা ব্যান্ডেজ করা পায়ের ছবিতে ‘হা হা’ অনুভূতি দেখিয়েছেন, তাদের আশার গুড়ে বালি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।