খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেরিয়ে এল আসল সত্য  

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বেরিয়ে এল আসল সত্য  
‘ঈশ্বরের এই বিশাল আকাশের নিচে আমাদের কোনো ঠাঁই হলো না ক্যান?’- সুনীতা দেবী, ‘রিফিউজি গে দ্যাশ জাত বলে কিছু আছে নাকি?’- পলাশ, ‘কয়দিন এদিক–ওদিক কিছু ঘটনা ঘটবে, তুমি শুধু চোখ–কান–নাক সব বন্ধ রাখবা।’- কাজী, ‘অত্যাচারের কথা সারা দুনিয়ার বুঝমান সমস্ত মানুকে জানাতি হবি।’- সুনীল।  ওপরে উল্লেখিত লাইনগুলো চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘ফেউ’র বিভিন্ন চরিত্রের সংলাপ। ২৬ জানুয়ারি (রবিবার) প্রকাশ পেয়েছে ট্রেলার, সেখানে সংলাপগুলো স্পষ্ট।  লাইনগুলো একসঙ্গে মেলালে সিরিজটির গতিপথ নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। ‘রিফিউজি’, ‘অত্যাচার’ শব্দগুলো থেকে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় নিপীড়নের কোনো গল্পই হয়তো উঠে আসতে যাচ্ছে।

‘ফেউ’ এর দৃশ্যে তারিক আনাম খান


গল্পটি দর্শকদের ভিন্ন দুটি সময়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। কারণ, ট্রেলারে দুটি সময়ের উল্লেখ পাওয়া গেছে। যার একটি ১৯৭৯ এবং অন্যটি ২০০২ সাল। সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে ‘ফেউ’। নির্মাতা সুকর্ন সাহেদ ধীমান বলেন, ‘সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা একটি ফিকশনাল গল্প বলতে চেয়েছি। যেখানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতি ও সংস্কৃতিও উঠে আসবে। স্থানীয় রাজনীতি ও সংস্কৃতি বোঝাতে নির্মাতা দেশের খুলনা–মোংলা অঞ্চলের কথা বোঝাতে চেয়েছেন। ট্রেলারে দেখা যায়, অস্তমিত সূর্যের আলোয় এক যুবক ছুটছে নৌকা নিয়ে।  সংলাপে সে তার বাবা বেঁচে আছে না মারা গেছে, সেই কথা জানতে চায়। মূলত এই প্রশ্ন থেকেই গল্পের ভেতরে ঢুকতে থাকে ছেলেটি। এই যাত্রায় পাওয়া যাবে তার বন্ধুকেও। এই দুই তরুণ যত এগিয়ে যেতে থাকে, ততই বেরিয়ে আসতে থাকে চাপা পড়ে থাকা ইতিহাস। বলা প্রয়োজন, ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ পরগণা জেলার দ্বীপ মরিচঝাঁপিতে ঘটে যাওয়া গণহত্যার ছায়া অবলম্বনে ‘ফেউ’ নির্মিত হলেও সিরিজটি ফিকশনাল। এর গল্প লিখেছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান, রোমেল রহমান এবং চিত্রনাট্য করেছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান ও সিদ্দিক আহমেদ। ইতিহাসের সঙ্গে নিজের দেখা চরিত্র, নিজের জানা ঘটনা, নিজের অঞ্চলের গল্প সিরিজে তুলে ধরেছেন বলে জানান নির্মাতা।‘ফেউ’ এর একটি দৃশ্য
উল্লেখ্য, সিরিজটি চরকিতে আসছে ২৯ জানুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিটে (৩০ জানুয়ারি)। এতে কাজী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, সুনীল চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরী, মার্শাল চরিত্রে মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, সুনীতা দেবী চরিত্রে তাহমিনা অথৈ, পলাশ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিজভী রিজু।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।