খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মঞ্চে ফিরছেন মৌ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
মঞ্চে ফিরছেন মৌ

একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দর্শক তাকে চেনেন ও জানেন। তবে অভিনয়ের চেয়ে ভালোলাগা ভালোবাসাটা একটু বেশি নাচের প্রতি। যে কারণে সুযোগ পেলে নাচের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিটিভিতে প্রচারের জন্য ‘একুশের বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান’-এ নৃত্য পরিবেশন করতে দেখা যাবে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী তাহমিনা সুলতানা মৌকে। এদিকে এক বছর পর মঞ্চে অভিনয়ের ফিরছেন মৌ। একসময় ‘সুবচন’ এবং ‘বটতলা’ নাট্যদলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন তিনি। তবে নানা ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘদিন মঞ্চে সময় দেওয়া হয়নি। এবার শূন্যণ রেপার্টরি থিয়েটারের চতুর্থ প্রযোজনা ‘আত্মজয়’ নাটকের মাধ্যমে আবারও মঞ্চে ফিরছেন মৌ।

 

নাটকটি রচনা করেছেন মোমেনা চৌধুরী, নির্দেশনা দিয়েছেন শামীম সাগর। আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মৌকে প্রায় এক বছর আগে মঞ্চ নাটক ‘সূচনা’তে অভিনয় করতে দেখা যায়। ‘মুক্তি নাট্যোৎসব’-এ সূচনা’ নাটকটি প্রদর্শিত হয়েছিলো। আবুল হায়াত রচিত এ নাটকের নির্দেশনা দিয়েছিলেন রহমত আলী। মৌ ‘সূচনা’ নাটকে তানিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। আবারো প্রায় এক বছর পর মঞ্চে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘মঞ্চে সবসময়ই অভিনয় করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সময় বের করাটাই কঠিন হয়ে যায়। তবে অনেকদিন পর মঞ্চে আবারও অভিনয় করবো ভেবেই ভালো লাগছে। অভিনয়ের প্রেমটা আসলে মঞ্চ নাটকেই। একজন সত্যিকারের অভিনেত্রী হয়ে উঠার ক্ষেত্রে মঞ্চ চর্চাটা ভীষণ জরুরি। ধন্যবাদ মোমেনা আপাকে। ধন্যবাদ ‘আত্মজয়’ নাটকের নির্দেশককে সুযোগ দেয়ার জন্য।’

মৌয়ের বাবাও মঞ্চ নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বাবার কারণেই মৌয়ের থিয়েটারের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। মৌ শামীম আরা নীপা ও শিবলী মুহাম্মদের কাছে নাচ শিখেছেন। ১৯৯৯ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নাটক ‘চোর চোর’ এর মাধ্যমে পেশাদার অভিনয়শিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন মৌ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।