খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পাকিস্তানের যেসব নাটক-সিরিজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পাকিস্তানের যেসব নাটক-সিরিজ

বর্তমানে পাকিস্তানি নাটক ও ওটিটি কন্টেন্টগুলো তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। হৃদয়গ্রাহী গল্প, শক্তিশালী চরিত্র এবং মার্জিত বিনোদন ও সাবলীল অভিনয়ের জন্য খুব সহজেই এগুলো দর্শককে আকৃষ্ট করছে। সুস্থ সংস্কতির চর্চার পাশাপাশি নাটক-সিরিজগুলোতে পারিবারিক বন্ধনের বার্তা দেয়া হয়।

এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে থাকা কিছু পাকিস্তানি নাটক ও ওয়েব সিরিজ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক –

 

নূর বানো

‘নূর বানো’ নাটকটি এক এতিম মেয়ের গল্প। হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গল্পে শিল্পীদের অভিনয় এ নাটকের বড় শক্তি। নূর বানোকে দেখা যায় লালন-পালনের জন্য সে একজন মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ। গল্পটি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন মুরাশ নামে তার স্বামী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অন্য এক নারীর প্রেমে পড়ে যায়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহনূর বালোচ, ইমরান আব্বাস, সামিনা আহমেদ, নাদিয়া হুসেইন, তুবা সিদ্দিকী এবং মুস্তাফা কুরেশি।

 

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পাকিস্তানের যেসব নাটক-সিরিজ

 

ইশক মুরশিদ

‘ইশক মুরশিদ’ নাটকটি দুটি ভিন্ন জীবনযাত্রার মানুষদের নিয়ে আবর্তিত। যারা ভাগ্য দ্বারা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। নাটকে অভিনয় করেছেন বিলাল আব্বাস খান, দুর-এ-ফিশান সালিম, হিরা তারিন, ওমাইর রানা এবং আলী গুল মাল্লাহর মতো পাকিস্তানি তারকারা।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পাকিস্তানের যেসব নাটক-সিরিজ

মিম সে মুহাব্বাত

‘মিম সে মুহাব্বাত’ একটি রোমান্টিক ওয়েব সিরিজ। প্রেম, ভাগ্যের লীলাখেলার গল্প বলে এটি। গল্পটি সব বয়সের দর্শকদের জন্য উপযোগী। এর মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহাদ রাজা মীর এবং দানানী মোবিন। দুই চরিত্রের মধ্যে একটি শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে ওঠতে দেখা যায়। ভাগ্য তাদের নানা বাঁকের মধ্য দিয়ে একত্রিত করে।

 

সুন মেরে দিল

এই সিরিজটি রোমান্স নির্ভর নাটকীয় গল্পে নির্মিত। একজন ব্যক্তির নিষ্ঠা এবং প্রেমের গল্প সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে। অভিনয় করেছেন মায়া আলী, ওয়াহাজ আলী, শাহভীর কাদওয়ানি, হিরা মানি এবং আমার খানের মতো জনপ্রিয় তারকারা। সিরিজটি গেল বছরের ৯ অক্টোবর প্রিমিয়ার হয়েছে।

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পাকিস্তানের যেসব নাটক-সিরিজ

 

নূর জাহান

২০২৪ সালের একটি জনপ্রিয় পাকিস্তানি পারিবারিক সিরিজ ‘নূর জাহান’। সাবা হামিদ এই সিরিজে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। একজন নিম্নবিত্ত পটভূমির দাপট দেখানো মায়ের চরিত্র এটি। একজন ধনী ব্যক্তিকে বিয়ে করে সামাজিক সিঁড়ি বেয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন সমাজের উঁচু মহলে। তার তিন ছেলে রয়েছে। তিন পুত্রবধূর সঙ্গে নূর জাহানের নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেসব নিয়েই মনোমুগ্ধকর লোকেশন, সেটে নির্মিত হয়েছে সংলাপ নির্ভার সিরিজটি। ২০২৪ সালে পাকিস্তান টেলিভিশনের সর্বোচ্চ-রেটেড অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘নূর জাহান’ শীর্ষে ছিল। ইউটিউবেও নাটকটি দারুণ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।