খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নায়িকার টাকা দেওয়ার শর্তে জামিন, টাকা দেননি আজিজ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
নায়িকার টাকা দেওয়ার শর্তে জামিন, টাকা দেননি আজিজ

পাপ’ সিনেমাটি প্রযোজনার আংশিক টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় প্রযোজক আবদুল আজিজের নামে। গত (২৩ ফেব্রুয়ারি) রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন। তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সিনেমার অভিনেত্রী জাকিয়া কামাল মুন। টাকা ফেরত দেবেন, সেই শর্তে জামিন পেয়েছেন আবদুল আজিজ। তবে শেষ পর্যন্ত টাকা দেননি তিনি, অভিযোগ অভিনেত্রীর।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে পাপ সিনেমা নির্মাণে সহযোগিতার জন্য আজিজকে এককালীন ৬০ লাখ টাকা দেন মুন। ওই বছরের মার্চের মধ্যেই সিনেমার কাজটি শেষ করার কথা ছিল। অঙ্গীকারনামার শর্ত মোতাবেক আজিজ বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত দেননি। বারবার আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানোর পরও তিনি উপেক্ষা করেছেন। জাকিয়া কামাল মুন জানান, গত নভেম্বর মাস থেকে প্রতি মাসে তাকে ১০ লাখ করে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা। মামলার পর গত ২ মার্চ ৩০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন আবদুল আজিজ। বাকি টাকাও ২৫ রোজার মধ্যে ফেরত দেবেন বলে দুপক্ষের আপস হয়।

জাকিয়া কামাল মুন বলেন, আজিজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার একটা আপোষনামা হয়েছে। গত রোববার (২ মার্চ) তিনি ৩০ লাখ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। অথচ রোববার আমার ফোনও ধরেনি কেউ। তিনি তো আদালতের কথাও শুনলেন না। দশ লাখ করে তিনটি তারিখে টাকা দেওয়ার কথা শোনা গিয়েছে। সে প্রসঙ্গ তিনি বলেন, দশ লাখ করে দিলে তো নভেম্বর মাস থেকে দিতেন। সেটা তিনি করেননি। প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করেন অভিনেত্রী জাকিয়া কামাল মুন।

এর প্রেক্ষিতে গত (২৩ ফেব্রুয়ারি) রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত আব্দুল আজিজকে গ্রেফতারের আদেশ দেন। এ আদেশের পর ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন কোর্ট নং ৩৬-এ হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আজিজ। পাশাপাশি আদালতে জানান অভিনেত্রী মুনকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই ভাগে ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করবেন, এমন শর্তেই ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তার জামিন মঞ্জুর করেন।

পরে আজিজ বাদীকে হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দেন যে ২ মার্চ ৩০ লাখ এবং আগামী ২৬ মার্চ আরও ২০ লাখ টাকা দেবেন। সেই তারিখ পার হয়ে গেলেও টাকা পরিশোধ করেননি আবদুল আজিজ।  ওই তারিখে রাজধানীর ইস্কাটনে জাজের অফিসে ডেকে নেন অভিনেত্রীকে। কিন্তু টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, ওই অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাকে। অভিনেত্রীর আইনজীবী শিমুল জানান, আদালতের রায় না মেনে আদালতের সঙ্গে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছেন আবদুল আজিজ।

এই আইনজীবী বলেন, আব্দুল আজিজ আদালতে লিখিত দিয়ে এসেছেন যে, প্রতি তারিখে ১০ লাখ টাকা করে ফেরত দেবেন। পরে বাদীকে মেসেজ করেছেন যে রোববার ৩০ লাখ এবং ২৫ রোজায় মধ্যে বাকি টাকা দেবেন। ১৯ মার্চ আরও একটা তারিখ আছে, দেখা যাক সেদিন তিনি কী করেন। জানা গেছে, পাপ-২ সিনেমার অর্থ দিয়ে জ্বীন-৩ সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন প্রযোজক আবদুল আজিজ। সেই সিনেমায় অভিনয় করছেন নুসরাত ফারিয়া ও আবদুন নূর সজল।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।