খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রথম একসঙ্গে ‘ইত্যাদি’তে হাবিব-প্রীতম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৪:০০ অপরাহ্ণ
প্রথম একসঙ্গে ‘ইত্যাদি’তে হাবিব-প্রীতম

হাবিব ওয়াহিদ ও প্রীতম হাসানের মধ্যকার সম্পর্ক বরাবরই উষ্ণ। দু’জনকে বলা হয় বাংলা সংগীতের শেষ দুই প্রজন্মের অন্যতম কর্তা। যারা দেশীয় সংগীতে বদল এনেছেন বৈশ্বিক মাপে। এবার সেই দু’জন এক হলেন ‘ইত্যাদি’র মঞ্চে, ঈদ আয়োজনে। এই প্রথম একসঙ্গে ‘ইত্যাদি’র একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই দুই সংগীত তারকা। গানটির কথা লিখেছেন ইনামুল তাহসিন, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রীতম হাসান। বলা দরকার, লম্বা সময় ধরে সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও প্রীতম হাসান একসঙ্গে কাজ করেছেন। তবে এতদিন একসঙ্গে কাজ করলেও একসঙ্গে কোনও গান করেননি।

২০১২ সালে প্রচারিত ‘ইত্যাদি’র বরিশাল পর্বের মাধ্যমে প্রীতম হাসান প্রথম টিভি পর্দায় উপস্থিত হন। হাবিব ও প্রীতমের এই ব্যতিক্রমধর্মী গানটি চিত্রায়িত হয় চারিদিকে লেক ঘেরা একটি দৃষ্টিনন্দন ব্যতিক্রমী স্থানে। প্রায় পাঁচ হাজার দর্শকের সামনে এই দুই তারকা মনের আনন্দে নেচেগেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন। গানটির অংশবিশেষ ফাগুন নিকেতনেও ধারণ করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’ বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হবে ঈদের পরদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। যথারীতি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।