খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

‘মুজিব’ সিনেমার জন্য অনুশোচনায় ভোগেন না ফারিয়া

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
‘মুজিব’ সিনেমার জন্য অনুশোচনায় ভোগেন না ফারিয়া

আরিফিন শুভ, চঞ্চল চৌধুরী থেকে নুসরাত ফারিয়া, ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয়রের জন্য শিকার হয়েছেন কটাক্ষের। ঢালাওভাবে বলা হয়েছে, এই সিনেমায় যারা অভিনয় করেছেন, তারা প্রত্যেকে আওয়ামীপন্থী ছিলেন। যদিও এই যুক্তির সত্যতা কতখানি, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে বৈকি! কিন্তু এটা ঠিক, দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে এই সিনেমায় অভিনয় করা শিল্পীরা আছেন বিপদে।

নুসরাত ফারিয়া

 

‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ ছিল একটি বিশাল বাজেটের সিনেমা। দেশের একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এখানে কাজ করেছেন। কিন্তু এই সিনেমায় কাজ করার সুবাদে কয়েকজন শিল্পীকে বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। নুসরাত ইমরোজ তিশাকে নিয়ে তেমন কোনও সমালোচনা না হলেও আরিফিন শুভ, চঞ্চল চৌধুরী আর নুসরাত ফারিয়া ‘মুজিব’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শিকার হয়েছেন তুমুল কটাক্ষের। নুসরাত ফারিয়া এতদিন বিষয়টি নিয়ে কথা না বললেও এবার তিনি মুখ খুলেছেন ক্যামেরার সামনে। আসছে ঈদে ফারিয়া অভিনীত ‘জ্বীন ৩’ সিনেমা মুক্তি পাবে। এ নিয়ে মহা ব্যস্ত তিনি। তবে এরইমধ্যে শেখ হাসিনা চরিত্রে অভিনয় করার পর যে সমালোচনার শিকার হয়েছেন, তা নিয়ে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

 

নুসরাত ফারিয়া

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে নুসরাতকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করার কারণে অনুশোচনায় ভোগেন? এই প্রশ্নের উত্তরে ফারিয়া বেশ বুদ্ধিদীপ্ত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘এখানে অনুশোচনার মতো কিছুই নেই। আমরা শিল্পীরা সাড়ে ৫টায় ঘুম থেকে উঠে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। এর পেছনে অনেক  শারীরিক পরিশ্রম যায়। বিশেষকরে এই সিনেমার (মুজিব: একটি জাতির রূপকার) জন্য ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল- এই ৫ বছর আমি একই লুকে নিজেকে মেইনটেইন করেছি। চুলে কোন রঙ করিনি, কালো চুল নিয়ে ঘুরেছি এই চরিত্রটির জন্য। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শারীরিক ওজনের মধ্যে থাকতে হয়েছে। মোট কথা আমি বলতে চাই, এই সিনেমার জন্য আমি আমার জীবনের দীর্ঘ ৫টি বছর দিয়েছি। ফলে সেই কাজটিকে নিয়ে যদি অনুশোচনা করি তাহলে আমার পেশাকেই অপমান করা হবে।’ এরপর তিনি বলেন, ‘এই সিনেমার জন্য আমি যে পরিস্থিতি পার করেছি বা এখনো করছি তা আমার ভাগ্যে লেখা ছিলো বলেই মনে করি। এটা খণ্ডানোর ক্ষমতা আমার ছিলো না।’

নুসরাত ফারিয়া

 

তবে ফারিয়া এ কথাও বলেন, একটি দেশের সরকারি পর্যায় থেকে কোন কাজের প্রস্তাব আসলে তা নিজের অতো পছন্দ না হলেও মানা করা যায় না। জুলাই আন্দোলনে ফারিয়া ছিলেন কানাডাতে। তিনি সেখান থেকেই ছাত্রদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছিলেন বলে জানান। বলা দরকার, ফারিয়া অভিনীত ‘জ্বী ৩’ সিনেমার তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সজল নূর। সিনেমাটি ঈদুল ফিতরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।